অভিযুক্ত তাহসিন হোসেন শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লার বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন ওরফে মিন্টুর ছেলে।

আইন উদ্দিনের ছেলে জয় ও বিজয় মহাকালী পাঠশালার মোড়ে একটি খাবার হোটেল পরিচালনা করেন। আইন উদ্দিন ওই হোটেল পরিচালনায় দুই ছেলেকে সাহায্য করতেন।

প্রত্যক্ষদশী ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন, আজ বেলা একটার দিকে একটি মোটরসাইকেলে ওই খাবার হোটেলে আসেন তাহসিন। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় বিজয়ের পায়ের সঙ্গে তাঁর পায়ের ধাক্কা লাগে। এটা নিয়ে তাঁদের মধ্যে তর্ক হয়। তাহসিন সেখান থেকে বাসায় চলে গিয়ে আবার ফিরে আসেন।

এ সময় কথা বলার এক পর্যায়ে বিজয়ের বাবা আইন উদ্দিনের পেটে ছুরিকাঘাত করেন তিনি। স্থানীয়রা আইন উদ্দিনকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসক। সেখানে‌ নেওয়ার পর আইন উদ্দিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

ফরিদপুর পৌরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইদ্রিস শেখ বলেন, ওই খাবার হোটেলে বিজয়ের সঙ্গে স্থানীয় এক তরুণের তর্ক হয়। একপর্যায়ে ওই তরুণ বিজয়ের বাবাকে ছুরিকাঘাত করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, হাসপাতাল থেকে আইন উদ্দিনের লাশ সরাসরি গ্রামের বাড়ি বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের কোন্দারদিয়া গ্রামে নিয়ে গেছেন পরিবারের সদস্যরা। ওই গ্রামে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন