বিজ্ঞাপন

এদিকে শিশুটিকে না পেয়ে তার বাড়ির লোকজন সর্বত্র খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে বাড়ির অটোরিকশা গ্যারেজে গিয়ে দেখে, শিশুটি মাটিতে শুয়ে আছে। তার মুখে স্কচটেপ মোড়ানো। সেখান থেকে দ্রুত উদ্ধার করে তারা নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া রোজি বেগম ও তাঁর ভাই গতকাল বুধবার হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা বেগমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে রোজি বেগম বলেন, তাঁর তিন বছরের কন্যাসন্তানকে আমির হামজা প্রায় সময় মারধর করত। যে কারণে তিনি বিরক্ত হয়ে আমির হামজাকে বালিশ চাপা দিয়ে নিজের ঘরে হত্যা করেন। এ সময় তাঁর ভাই জুনাইদ ঘটনাটি দেখে ফেলায় তাঁর সহযোগিতায় লাশ গুম করার চেষ্টা করেন।

পুলিশ সুপার বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে রোজি ও জুনাইদ দুজনই জড়িত। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা আবদুর রশিদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। আসামিরা বর্তমানে আদালতের নির্দেশে হবিগঞ্জ কারাগারে আছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পারভেজ আলম চৌধুরী, নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন