বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি খামারটিতে গিয়ে দেখা যায়, তিন হাজার হাঁস পালনের অবকাঠামো থাকলেও পর্যাপ্ত হাঁস নেই। অধিকাংশ শেড ফাঁকা পড়ে আছে। ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য আধুনিক ও উন্নতমানের যন্ত্রটিতে বাচ্চা উৎপাদন একেবারেই বন্ধ রয়েছে। এখানে যে অবকাঠামো আছে, তাতে ১৭ জন লোক থাকার কথা। কিন্তু মাত্র তিনজন কর্মচারী দিয়ে চলছে খামার। এ কারণে খামারিদের যে পরিমাণ হাঁসের বাচ্চার চাহিদা রয়েছে, তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কর্মচারীদের একজন টি এম জিকো বলেন, দক্ষ জনবলের অভাব তো আছেই, একই সঙ্গে প্রয়োজনমতো হাঁসের খাবার সরবরাহ না থাকায় খামারটি এমন বেহাল হয়ে গেছে।

উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সোনিয়া সবুর বলেন, এখানে যে হাঁসগুলো পালনের কথা, সেগুলো দেশীয় জাতের তুলনায় দ্রুত বাড়ে এবং বেশি পরিমাণে ডিম দেবে। তাই এই অঞ্চলে হাঁস প্রজনন খামারটি হওয়ার পর থেকে অনেকে লাভের আশায় বাণিজ্যিকভাবে হাঁস পালনের খামার করেন। কিন্তু তাঁরা সময়মতো হাঁসের বাচ্চা না পেলে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। তাই এখনই এই প্রজনন খামারে পর্যাপ্ত লোকবল ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন।

বেলকুচি উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রেহানা খাতুন জানান, প্রয়োজনীয় লোকবল ও বরাদ্দ পেলেই এই খামার যমুনা চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ কুমার জানান, হাঁস প্রজনন খামারটি দীর্ঘদিন রাজস্ব খাতে না থাকায় যথাযথভাবে বরাদ্দ ও লোকবলের অভাব পূরণ করা সম্ভব হয়নি। চলতি বাজেটে এই খামারসহ দেশের ২২টি খামার রাজস্ব খাতের অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার। দ্রুতই খামারটির উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন