বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রাকৃতিকভাবে এখানে বেড়ে ওঠা হিজল-করচ-বরুণগাছের পাশাপাশি বেত, ইকরা, খাগড়া, মুর্তা ও শণজাতীয় গাছ রয়েছে। শতাধিক প্রজাতির উদ্ভিদের সঙ্গে এখানে রয়েছে নানা প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, সরীসৃপ, পাখি ও উভচর প্রাণী। প্রকৃতি ও পরিবেশ বিনষ্ট না করে সতর্কতার সঙ্গে এখানে ভ্রমণ করার বিষয়টি তাই পর্যটকদের সব সময় খেয়াল রাখতে হয়।

আগের সৌন্দর্য তুলনামূলকভাবে হারালেও জাফলং ঘিরে পর্যটকদের মুগ্ধতা একটুও কমেনি। নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের প্রতীক জাফলং ঘিরে মানুষের ভিড় তাই সব সময়ই থাকে। এখানে মানুষ জলবিহারে মেতে ওঠেন। জাফলংয়ের পাথর, সীমান্তবর্তী জিরো পয়েন্ট, ডাউকি ব্রিজ, পার্শ্ববর্তী চা-বাগান আর সীমান্তের ওপারে সৌন্দর্যে পর্যটকেরা আকৃষ্ট হন। অনেকে আবার জাফলংয়ের পিয়াইন নদের বুকে নৌকায় ভেসে বেড়াতেও পছন্দ করেন। অন্যদিকে বিছনাকান্দির জল-পাথরের শয্যায় ডুবে স্নাত হন পর্যটকেরা।

default-image

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত সিলেটের বহুল আলোচিত পর্যটনকেন্দ্র সাদা পাথর। এ ইউপির চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের¯শূন্যরেখার কাছে সাদা পাথরের স্তূপ ঘিরে গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র। সীমান্তের¯ওপারে পাহাড়, পাথর আর স্বচ্ছ জলের অবগাহনে বছরজুড়ে এখানে পর্যটকের যাতায়াত। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশে শুরু হওয়ার পর ছয় থেকে সাত মাস সাদা পাথরে পর্যটক আসেননি। এখন আবার পর্যটকেরা আসতে শুরু করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন