বিজ্ঞাপন

নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের পশ্চিম গামারিয়া গ্রামের মৃত হাসান শেখের ছেলে মো. কালা শেখ (৩৫), একই গ্রামের জব্বার খানের ছেলে এনামুল হক (৪৫), একই গ্রামের কাইলে শেখের ছেলে মো. শাহজাহান মিয়া (৫৩), পলবান্দা ইউনিয়নের বাটিকামারী গ্রামের মো. কান্দু শেখের ছেলে জবেদ আলী (৬৪), গাইবান্ধা ইউনিয়নের চন্দপুর গ্রামের আখের মাহমুদের ছেলে মহিজল মিয়া (৪৫) এবং সাপধরী ইউনিয়নের প্রজাপতি গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে বেলাল হোসেন (৩০)।

তাঁদের মধ্যে কালা শেখ, এনামুল হক ও শাহাজান মিয়া একই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। বাকি তিনজন নিহত হয়েছেন বজ্রপাতের পৃথক তিনটি ঘটনায়। তাঁরা সবাই কৃষক।

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, বিকেলে ঝড়ের সময় আকস্মিক বজ্রপাতে সাপধরী ইউনিয়নের প্রজাপতি গ্রামের বেলাল হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান। সাপধরী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনও তাঁর মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছেন।

ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে এক শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট উপজেলায় আজ দুপুরে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের গোয়াবাড়ি চাঁদপুর গ্রামের আবু তালেবের স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৮), উপরটোলা গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে জালাল উদ্দিন (৪০) এবং নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়নের সাত বছর বয়সী মাসরুবা খাতুন।

মোবারকপুর ইউপির চেয়ারম্যান তোহিদুর রহমান জানান, বেলা দুইটার দিকে ঝড়-বৃষ্টির সময় বাড়ির পাশে বাগানে আম কুড়াচ্ছিলেন রহিমা বেগম। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

মাসরুবাও আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছে বলে স্থানীয় ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে ভোলাহাট উপজেলা থেকে ধান নিয়ে আসছিলেন শিবগঞ্জের উপরটোলা গ্রামের বাসিন্দা জালাল উদ্দিন। পথে ভোলাহাটের বড়গাছি ইউনিয়নের ছিরির বিল এলাকায় বজ্রপাত হলে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন