বিজ্ঞাপন

ছবি দেখার পর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির (ডব্লিউসিএস) বন্যপ্রাণী গবেষক সামিউল মোহসেনিন প্রাণীটিকে গাঙ্গেয় ডলফিন বা শুশুক (গ্যাংস রিভার ডলফিন) বলে নিশ্চিত করেছেন। বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী গাঙ্গেয় শুশুক সংরক্ষিত প্রজাতির। ডব্লিউসিএসের তালিকা অনুযায়ী, প্রাণীটি বিপন্ন প্রজাতির।

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, শুশুক ধরা পড়ার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মৎস্য কর্মকর্তার দপ্তরের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মোরেলগঞ্জের জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, পানগুছি নদে নিয়মিত শুশুক দেখা যায়। জালে ওঠার পরও শুশুকটি জীবিত ছিল। খবর পেয়ে তাঁরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই এটি মারা যায়। পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন।

বিনয় কুমার রায় বলেন, মারা যাওয়া শুশুকটি আকারে বেশি বড় না। এই নদীর শুশুক আরও বড় হয়। গাঙ্গেয় ডলফিন বা শুশুক পৃথিবীজুড়েই বিপন্ন। তবে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে এখন প্রাণীটির কিছু দেখা মেলে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন