বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসা করাতে হলে ইস্পাত–কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে রাজপথে নামতে হবে। এ জন্য আজ এমন একটি আওয়াজ তুলতে হবে, যার ওপরে কোনো আওয়াজ হতে পারে না। যার ওপরে কোনো আওয়াজ নেই।’

রিজভী বলেন, ‘আপনার আমার অনেক চাওয়া-পাওয়া থাকতে পারে; কিন্তু দেশের স্বার্থে স্বাধীনতার স্বার্থে গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা দেশনেত্রীর মুক্তি চাই। এ জন্য ইস্পাত–কঠিন ঐক্য নিয়ে আমরা রাস্তায় নামতে চাই।’ তিনি সমাবেশে উপস্থিত নেতা–কর্মীদের মতামত জানতে চান। সবাই চিৎকার করে রিজভীকে সমর্থন জানান।

সমাবেশের প্রথম দিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হকের বক্তব্যের সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এ সময় মঞ্চে এত নেতা–কর্মী উঠে পড়েন যে মঞ্চ দুলতে থাকে। তখন সমাবেশের সভাপতি বার বার কেন্দ্রীয় নেতা ছাড়া সবাইকে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ার ঘোষণা দেন। কিন্তু ওই ঘোষণায় কেউ মঞ্চ থেকে নেমে যাননি। নেতা–কর্মীরা মঞ্চের সামনের দিকে যেতে থাকেন। তখন তাঁদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। নিচ থেকে স্যান্ডেল ছোড়া হয়। ওই বিশৃঙ্খলার কারণে কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকতের নাম ঘোষণা করা হলেও তিনি বক্তব্য দেননি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান সভাপতির পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার বক্তব্য দিতে উঠে তিনি কোনো বক্তব্য দেবেন না বলে সবাইকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি না হলে তারেক রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশ চলবে। আওয়ামী লীগের লোকজন যাতে ভারতে পালাতে না পারে, সে জন্য তিনি সীমান্ত এলাকার বিএনপি নেতা–কর্মীদের পাহারায় থাকার আহ্বান জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন