বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাংসদের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি হৃদ্‌যন্ত্রের চিকিৎসার জন্য বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ড এলিজাবেথ হাসপাতালে রয়েছেন। সেখানে আজ মঙ্গলবার তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রে দুটি রিং বসানোর কথা। সে কারণে চিকিৎসার আগে সাংসদ একরামুল করিম তাঁর ফেসবুকে লাইভে এসে নোয়াখালীবাসীর উদ্দেশে কথা বলেন। সেখানে তিনি তাঁর অতীত কর্মকাণ্ডে কোনো অন্যায় করে থাকলে এর জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। ফেসবুক লাইভের পরপরই তা মুছে দেওয়া হয়। কিন্তু তার আগেই সাংসদ একরামের অনুসারীদের অনেকে তা কপি করে নিজেদের ফেসবুকে পোস্ট করলে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।

২ মিনিট ৩ সেকেন্ডের ফেসবুক লাইভে সাংসদ একরামুল করিম বলেন, ‘আমার নোয়াখালীর মানুষ আমার জন্য একটু দোয়া কইরেন। ভাগ্যক্রমে বারবার অসুস্থ হচ্ছি। কালকে আমার দুটো রিং বসানো হবে। নেত্রীর কাছে দোয়া চেয়েছিলাম। নেত্রী বলছেন “আল্লাহ ব্লেস ইউ”। এটাই আমার কাছে সর্বোচ্চ পাওয়া। আর কোনো কিছু কারও কাছে পাওয়ার নেই।’

সাংসদ একরামুল করিম বলেন, ‘নোয়াখালীর মানুষ আপনাদের আমি অনেক ভালোবাসি। বেঁচে থাকলে সব সময় ভালোবাসব। অনেক কষ্টে এ নোয়াখালী আওয়ামী লীগ আমি গড়ে তুলেছিলাম। এখন যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের জন্য আমার দোয়া রইল। আমি ভালোবাসি আমার দেশের মানুষকে। ...যদি বেঁচে আসি আপনাদের সেবা করব। বেঁচে না আসতে না পারলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন, আমার কোনো ভুল, অন্যায় থেকে থাকে।’

এর আগে গত ১০ মার্চ বাংলাদেশ সময় সকাল আনুমানিক সাড়ে আটটার সিঙ্গাপুরের একই হাসপাতাল থেকে ফেসবুক লাইভে এসে সাংসদ একরামুল ‘ওবায়দুল কাদের নোয়াখালীর সবচেয়ে ঘৃণিত লোক এবং তিনি আওয়ামী লীগের অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছেন’ বলেন মন্তব্য করেছিলেন।

সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী টানা ১৭ বছর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনেও তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের আগেই গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সম্মেলনে ঘোষিত কমিটি ভেঙে দিয়ে ৮৭ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে আহ্বায়ক করা হয় ভেঙে দেওয়া কমিটির সভাপতি এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরীকে। আর দুই যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয় শিহাব উদ্দিন শাহিন ও নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র মো. সহিদ উল্যাহ খান সোহেলকে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন