বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সদর হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, আবহাওয়ার কারণেও জ্বর বেড়ে যেতে পারে। বেশ কয়েক দিন ধরে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। দিনের বেলা প্রচণ্ড গরম ও ভোররাতে কিছুটা ঠান্ডা পড়ছে। এমনকি হিমালয়ের কোলঘেঁষা এই জেলায় রাতে হালকা কুয়াশা পড়তে শুরু করায় জেলার বাসিন্দারা জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাকেও কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে শুধু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয় ১৫ রোগী। এর মধ্যে ১০টিই শিশু। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি ৩৪। এর মধ্যে ৩০ শিশুই জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত।

গতকাল সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছে মোট ৬২৫ রোগী। এর মধ্যে ৩৫১ জন নারী, ১৬৭টি শিশু ও ১১৭ জন পুরুষ। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেওয়া এসব রোগীর প্রায় ৮০ শতাংশই জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে পঞ্চগড় শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কেউ না কেউ জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীই পঞ্চগড় শহরসহ বিভিন্ন গ্রামের বাজারের ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনে খাচ্ছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১০৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১১ দশমিক ২১।

সিভিল সার্জন ফজলুর রহমান জানান, তাঁর নিজের পরিবারের সদস্যরাও জ্বরে আক্রান্ত। এখনকার জ্বর আবহাওয়াজনিত বা ভাইরাসজনিত হতে পারে। তবে করোনার বিষয়টিকে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন