ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাঁঠাল খাওয়ার পর খোসা গরুকে খাওয়ানো যায়। আবার কাঁঠালের বিচিগুলো আলাদা তরকারি হিসেবে খাওয়া যায় বলে কাঁঠালের বিক্রির ধুম পড়েছে। আকারভেদে প্রতিটি কাঁঠাল ১০০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঁঠাল কিনতে এসেছেন জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা ইব্রাহিম মিয়া (৫০)। বর্তমানে তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকছেন। তিনি বলেন, ‘রান্না করে খাওয়ার মতো বাজার-সদাই নেই। তাই ভাতের বদলে কাঁঠাল কিনে নিয়ে যাচ্ছি। একটা কাঁঠাল দিয়ে চারজনের দুপুরের খাবার হয়ে যাবে।’

default-image

কালাইরাগ গ্রামের বাসিন্দা সোহেল আহমদ বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্র থেকে চিড়া-মুড়ি পেয়েছি। কিন্তু শুকনা খাবার খেতে খেতে তো গলায় আটকে যাওয়ার মতো অবস্থা। কাঁঠাল দিয়ে চিড়া-মুড়ি খেতে ভালো লাগবে। তাই ১৬০ টাকায় একটা কাঁঠাল কিনলাম।’

কাঁঠাল বিক্রেতা আতাব আলী বলেন, স্থানীয় পাইকারের কাছ থেকে তিনি ১০০টি কাঁঠাল নিয়ে এসেছিলেন। এর মধ্যে ৫০টির ওপরে বিক্রি করে ফেলেছেন। বাজারের বেশির ভাগ দোকানপাট বন্ধ থাকায় বিক্রি ভালো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরেক বিক্রেতা আবদুস সাত্তার বলেন, কাঁঠালের চাহিদা দেখে তিনি কাপাসিয়া থেকে কাঁঠাল নিয়ে এসেছেন। আগে থানা বাজারের ভেতরে কাঁঠাল বিক্রি করলেও এখন তিনি সড়কের ওপরেই কাঁঠাল বিক্রি করছেন। পথে আসতে কোনো সমস্যা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, শনিবার পর্যন্ত সমস্যা হয়েছিল। তবে রোববার আর কোনো সমস্যা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন