ফুলছড়ি উপজেলার ভাষারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বেলাল বলেন, পৈতৃক সূত্রে তিন বিঘা জমি পেয়েছেন। এ ছাড়া তাঁর কোনো সম্পদ নেই। তাতে আগে ধানের চাষ করতেন, কিন্তু ঠিকমতো সংসার চলত না। তখন তিনি রবিশস্য চাষে ঝুঁকে পড়েন। গত বছরের অক্টোবরে তিনি ‘বাহুবলি’ হাইব্রিড জাতের টমেটোর বীজ বপন করেন। ৩০-৩৫ দিনে এর চারা বের হয়। নভেম্বরের শেষের দিকে দুই বিঘা জমিতে চারা লাগান। এতে শ্রমিক, চারাসহ খরচ হয় ৭৫ হাজার টাকা। চারা লাগানোর আড়াই মাস পর থেকেই ফলন পেতে শুরু করেন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত ৬৫ হাজার টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন। আরও তিন লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করতে পারবেন।

গাইবান্ধা শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে ভাষারপাড়া গ্রাম। গত বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, জমিতে সবুজ পাতার ভেতর থেকে উঁকি দিচ্ছে লাল-কমলা রঙের পাকা টমেটো। জমির এক কোনায় টমেটোর স্তূপ। বেলাল, তাঁর স্ত্রী শিল্পী ও তাঁদের দুই ছেলেমেয়ে টমেটো সংগ্রহে ব্যস্ত।

বেলাল বলেন, বাজারে এ জাতের টমেটোর চাহিদা বেশি। স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি টমেটো পাইকারি হিসেবে ৩০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। ধানের চেয়ে রবিশস্য চাষ বেশি লাভজনক। তিনি ওই জমিতে বছরে চারটি ফসলের আবাদ করবেন। প্রথমে বাঁধাকপি করেছেন, পরে টমেটো। টমেটো বিক্রি হলে তিনি শসার চাষ করবেন। দুই দফায় শসা চাষের পর করলার চাষ করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন