বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭১ বছর বয়সী সাঈদা গাফ্ফার কাশিমপুর থানার পানিশাইল এলাকার মির্জাবাড়িতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে একাই থাকতেন। কাছেই তিনি একটি বাড়ি নির্মাণ করছিলেন। তাঁর এক মেয়ে গত মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা থেকে এসে মায়ের খোঁজ না পাওয়ার কথা জানিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে তাঁর বাড়ির নির্মাণশ্রমিক আনোয়ারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সকাল ১০টার দিকে অধ্যাপক সাঈদা গাফ্ফারের বাসা থেকে একটু দূরে জঙ্গলের ভেতর থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

আনোয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ওসি মাহবুব-এ খোদা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আনোয়ার তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে ১১ জানুয়ারি নিহত অধ্যাপকের বাসায় লুটপাট করে তাঁকে গলাটিপে হত্যা করেন। পরে মির্জাবাড়ি থেকে কিছুটা দূর একটি জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে ফেলে দেয়।’

ওসি বলেন, অধ্যাপক সাঈদা গাফ্ফারের বাড়ি থেকে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা লুটে নেওয়া হয়েছে। আরও কী কী মালামাল নেওয়া হয়েছে, তা বের করার চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, অধ্যাপক সাঈদা গাফ্ফার পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ছিলেন। কয়েক বছর ধরে তিনি অবসর জীবন যাপন করছিলেন৷

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন