বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাক্ষ্য দেওয়ার সময় মামুনুর রশীদ বলেন, ফারুক আহমেদের লাশের ময়নাতদন্তের সময় তাঁর দেহ থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়। তিনি সেই গুলি থানায় নিয়ে গিয়েছিলেন। গুলি ছাড়াও মামলার বিভিন্ন আলামত তাঁর সামনেই জব্দ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তাঁকে আসামি ও বাদীপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন।

এ সময় মামলার কারাবন্দী আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি এবং জামিনে থাকা আসামি সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের কলেজপাড়া থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর গ্রেপ্তার দুজন আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান জড়িত বলে জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন