প্রতিদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তীব্রতা বাড়লেও বিকেল গড়াতে না গড়াতেই হালকা শীতল বাতাসে বইছে, রাতভর থাকছে শীতের দাপট। তবে গত এক সপ্তাহ পঞ্চগড়ে কুয়াশার পরিমাণ কিছুটা কমেছে। দুপুর পর্যন্ত প্রচণ্ড রোদ থাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যে বেশ পার্থক্যের সৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে তেঁতুলিয়ার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তরের শীতপ্রবণ এই জনপদে প্রতিদিন বিকেল হতেই শীত অনুভুত হচ্ছে। বিকেলে বাড়ির বাইরে বের হওয়া লোকজনকে শীতের কাপড় জড়িয়ে বের হতে দেখা যাচ্ছে। উত্তরের হিমেল বাতাসে রাতভর কনকনে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। রাতে মানুষকে লেপ-কাঁথা-কম্বল জড়িয়ে ঘুমাতে হচ্ছে।

হিমালয়ের খুব কাছাকাছি পঞ্চগড়ের অবস্থান হওয়ায় এখানে শীত কিছুটা আগে আসে এবং বিদায়ও নেয় দেরিতে। এমনকি শীত মৌসুমে এই এলাকায় হিমালয়ের হিমবায়ু সরাসরি প্রবেশ করায় শীতের তীব্রতাও বেশি থাকে বলে বলছেন আবহাওয়াবিদেরা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ জানান, ছয় দিন ধরে একটানা তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। বর্তমানে আকাশে হালকা মেঘ রয়েছে। এ জন্য কুয়াশা কিছুটা কমে গেছে। তবে রাতে বয়ে আসা উত্তরের হিমবায়ু স্বল্প পরিসরে তেঁতুলিয়ায় প্রবেশ করছে। ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেটে গেলে তেঁতুলিয়ার তাপমাত্রা আরও কমতে শুরু করবে।