বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দৌলতদিয়া বাজারে কাঁচাবাজার, মাছবাজার, মাংসের বাজারের আলাদা শেড রয়েছে। বর্তমানে সেসব শেড খালি পড়ে আছে। বাজারের শাহরিয়ার স্টোরের স্বত্বাধিকারী শাহরিয়ার আলম বলেন, ইজারাদার টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করছেন। অনেক কৃষক শাকসবজি বিক্রি করতে আসেন। তাঁদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করছেন। মূল বাজারে এলে হয়তো এ টাকা উঠত না। যে কারণে ইজারাদার চাচ্ছেন না আগের স্থানে বাজার ফিরে আসুক।

দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবসায়ী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, ‘বাজারটি অনেক জমজমাট ছিল। প্রতি শেডে অর্ধশত দোকান রয়েছে। অনেক টাকার জিনিসপত্র পড়ে আছে। অথচ টার্মিনালে গাড়ি থাকার কথা। কার স্বার্থে টার্মিনাল ফাঁকা থাকছে। জরুরি ভিত্তিতে বাজার আগের স্থানে আনার দাবি করছি।’

টার্মিনালে বসা খুচরা বিক্রেতা মান্নান শেখ বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে দুই-তিন ঘণ্টার জন্য পেঁয়াজ-মরিচ বিক্রি করি। এ জন্য ইজারাদারকে প্রতিদিন ৩০ টাকা করে দিতে হয়। টার্মিনালে গাড়ি না থাকায় ইজারাদার আমাদের এখানে বসিয়ে রেখেছেন।’

দৌলতদিয়া ঘাট বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সভাপতি মোহন মণ্ডল অভিযোগ করেন, ইজারাদার কৌশলে উপজেলা প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে দোকানপাট বাজারে ফিরতে দিচ্ছেন না।

তবে ইজারাদার রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ব্যবসায়ীরা আগের জায়গায় ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন, কিন্তু তাঁর কিছু করার নেই। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের। টার্মিনালে গাড়ি না রেখে বাজার থাকার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি ইজারা নেওয়ার পর থেকে টার্মিনালে বাজার দেখছি।’

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুল হক খান বলেন, হাটের ইজারাদারকে ডেকে দ্রুত আগের জায়গায় বাজার স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে দোকান ও বাজার সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন