কামরুজ্জামান আরও বলেন, ‘পুকুর সংস্কার করতে আমরা একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছি। যদি আমরা পুকুর সংস্কারকাজ শেষ করতে না পারি, তবে ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ করব কীভাবে? বিষয়টি নিয়ে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা ঠিকাদার মাসুদের রোষানল থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার মাসুদ বলেন, পুকুরের পাশ দিয়ে সরকারি রাস্তা আছে। ওই রাস্তার অংশ ভেঙে পুকুরের পড়েছে। ফলে রাস্তা সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। পুকুরের ভেঙে পড়া স্থানে মেরামত করে দিতে বলায় তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন