সাইফুল ইসলাম বলেন, বেলা ৩টা পর্যন্ত এই ৩৫ কিলোমিটারে যানজট থাকলেও এরপর কমতে থাকে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লার চান্দিনার মাধাইয়া থেকে দাউদকান্দির গৌরীপুর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার যানজট ছিল।

দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক নাজমুল হাসান বলেন, বিকেল সাড়ে চারটার পর মহাসড়কে যানজট নেই বললেই চলে। যানবাহন চলাচলে গতি বেড়েছে।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট থাকায় দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। অনেক যাত্রী হেঁটে, বিকল্প পথে রিকশা ও অটোরিকশায় গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন। তবে যানজটের কারণে দূরপাল্লার যান যেমন চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী যাত্রীরা যানবাহনে আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহান।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ চন্দ্র দাস বলেন, তিনি তাঁর স্ত্রী মঞ্জু রানীকে সঙ্গে নিয়ে সকাল নয়টায় কুমিল্লা বিশ্বরোড থেকে বাসে ওঠেন। বেলা তিনটার দিকে দাউদকান্দির গৌরীপুরে পৌঁছান।

চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা দাউদকান্দি এক্সপ্রেস বাসের চালক আক্তার হোসেন বলেন, তিনি বেলা ১১টার দিকে দাউদকান্দির পেন্নাইয়ে পৌঁছার কথা থাকলেও তীব্র যানজটে আটকে পড়ে বেলা ৩টার দিকে পৌঁছান।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের বাসের চালক আলম হোসেন ও হানিফ পরিবহনের বাসের চালক রিপন মিয়াও দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকায় দুর্ভোগের শিকার হওয়ার কথা জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন