বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মনোরঞ্জন সাংমা অবসর নেওয়ার পর থেকে তিনি গ্রামেই বাস করতেন। বাড়িতে আসার পর থেকে তিনি শখের বসে কবিরাজি চিকিৎসা করতেন। এ চিকিৎসার জন্য মরোরঞ্জন সাংমা কারও কাছ থেকে টাকা নিতেন না। সম্প্রতি মনোরঞ্জন সাংমা তাঁর প্রতিবেশী শিমুল চাম্বুর চাচার চিকিৎসা করেছিলেন। তবে চিকিৎসা নেওয়ার পর ওই ব্যক্তি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এর পর থেকেই শিমুর চাম্বু মনোরঞ্জন সাংমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। শিমুলের অভিযোগ, মনোরঞ্জন সাংমা চিকিৎসার নামে তাঁর চাচাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে ‘জাদু’ করেছেন।

মনোরঞ্জন সাংমার পরিবারের ভাষ্য, গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে শিমুল চাম্বু মনোরঞ্জন সাংমার বাড়ির সামনে গিয়ে রামদা দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মনোরঞ্জন সাংমা মারা যান। পরে স্থানীয় লোক শিমুল চাম্বুকে আঠক করে থানায় খবর দেন।

তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল খায়ের বলেন, ঘটনার সময় শিমুল চাম্বু মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আজ সোমবার শিমুল চাম্বুকে আদালতে নেওয়া হবে। এর আগে গতকাল রাতেই নিহত ব্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন