বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সুলতান আহমেদ বলেন, ‘প্রথমে ভিক্ষুকদের ডেকে এনে খাওয়াতাম। আমাদের আয়োজনের কথা ভিক্ষুকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এখন প্রতি হাটের দিন ১৩০ থেকে ১৫০ জন ভিক্ষুকের খাবারের ব্যবস্থা করছি। তাঁদের পোলাও, মুরগির রোস্ট অথবা খিচুড়ি-মাংস খাওয়াচ্ছি। বিভিন্ন ব্যক্তির দেওয়া অনুদান ও সংগঠনের সদস্যদের চাঁদা দিয়ে খাবারের আয়োজন করা হয়। আরিফুর রহমান নামের একজন চাল ব্যবসায়ী চাল দিয়ে আমাদের সহায়তা করেন। শহীদ মীর মান্নান নামের একজন প্রতি সপ্তাহে এক হাজার করে টাকা দিচ্ছেন।’

গত বুধবার শহরের হাইস্কুল সড়কের উপজেলা প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বেলা দেড়টার পর সেখানে ভিক্ষুক ও প্রতিবন্ধীরা আসা শুরু করেছেন। দুইটার দিকে খাবার বিতরণ শুরু হয়। দেড় শ প্যাকেট পোলাও ও মুরগির রোস্ট বিতরণ করা হয় সেদিন।

খাবার নিতে আসা উপজেলার উত্তর ছোট শৌলা গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. মোস্তফা (২৫) বলেন, ‘সাত বছর ধরে প্রতি বুধবার ভিক্ষা করতে মঠবাড়িয়া বাজারে আসি। দুপুরে খেতে ৫০-৬০ টাকা খরচ হয়। এ জন্য প্রায়ই না খেয়ে সারা দিন ভিক্ষা করে বাড়ি গিয়ে রাতে খেতাম। তিন বছর ধরে দুপুরে এখানে খাই।’

স্থানীয় সাংবাদিক জুলফিকার আমিন বলেন, সেখানে এসে দরিদ্র, ভিক্ষুক ও প্রতিবন্ধী মানুষেরা সপ্তাহে অন্তত একবেলা ভালো খেতে পারেন। এখানে আসা ভিক্ষুকদের বেশির ভাগ শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এবং কর্মহীন বৃদ্ধ।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিরাজ আহমেদ বলেন, সংগঠনটির কার্যক্রম দেখার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। উদ্যোগটি প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন