বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফুলেরতল বাজারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে মাজুলকে ফুলেরতল বাজারে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তবে তিনি লোকজনের সঙ্গে তেমন কথাবার্তা বলতেন না। নাম-পরিচয় জানতে চাইলে মুখ ফিরিয়ে নিতেন। লোকজন তাঁকে খাবার দিতেন। পরে তাঁর পায়ের ক্ষতে পোকা ধরতে দেখে স্থানীয় লোকজন ‘মানবিক টিম’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পরে ওই সংগঠনের উদ্যোগে মাজুলকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পাঁচ দিন চিকিৎসার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে ছাড়পত্র দেন। এ সময় মাজুলের পরিচয় জানতে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফেসবুকে মাজুলের ছবি পোস্ট করা হয়। পরে ছবি দেখে মাজুলের স্বজনেরা তাঁকে শনাক্ত করেন। গতকাল রাতে মাজুলের স্বজনেরা ফুলেরতল বাজার থেকে মাজুলকে বাড়ি নিয়ে গেছেন।

মানবিক টিমের প্রধান সমন্বয়ক ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (মিডিয়া ও কমিউনিটি সার্ভিস) নায়েক সফি আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, মাজুলকে স্বজনদের কাছে পৌঁছে দিতে পেরে তাঁরা খুশি। সিলেটে নেওয়ার পর তাঁরা সার্বক্ষণিক মাজুলের চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছেন। তবে মাজুল এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি।

মাজুলের বড় ভাই মোহন মিয়া মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ার পর তাঁরা মাজুলের চিকিৎসা করালেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। নিখোঁজের পর তাঁরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেছেন। থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। তবে এরই মধ্যে ফুলেরতল বাজারের লোকজনসহ মানবিক টিমের সদস্যদের সহায়তায় ভাইয়ের খোঁজ পেয়েছেন। তাঁরা এখন মাজুলের চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন