বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, তৃণমূল থেকে চেয়ারম্যান পদে যে তালিকা পাঠানো হয়েছে, তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় দলের ভেতর বিভেদ ও সাংর্ঘষিক অবস্থা তৈরি করবে। নির্বাচনেও এর বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তৃণমূল থেকে পাঠানো তালিকায় নাম না থাকার পরও মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তিরা হচ্ছেন বালিথুবা পশ্চিম ইউপিতে মো. বাহা উদ্দিন, সুবিদপুর পশ্চিম ইউপিতে পারভেজ হোসাইন, গুপ্টি পশ্চিম ইউপিতে রফিকুল ইসলাম, পাইকপাড়া উত্তর ইউপিতে মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউপিতে মো. আলা উদ্দিন আহমেদ, চরদুঃখিয়া পূর্ব ইউপিতে মাহমুদুল হাসান, চরদুঃখিয়া পশ্চিম ইউপিতে মোরশেদ আলম ও রূপসা দক্ষিণ ইউপিতে মো. শরীফ হোসেন খান।

আওয়ামী লীগের একটি পক্ষের অভিযোগ, মনোনয়ন পাওয়া এসব ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই এলাকায় জনবিচ্ছিন্ন হিসেবে পরিচিত। কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাল আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের ওপর হামলার মামলার আসামিও আছেন। তাঁদের দলীয় প্রতীক দেওয়ায় এলাকায় সাধারণ নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারী বলেন, তাঁরা তৃণমূল থেকে ১৩টি ইউনিয়নের প্রার্থী তালিকা পাঠিয়েছেন। কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে নয়টি ইউপিতে তাঁর দেওয়া তালিকায় তাঁদের নাম নেই। পরে জানতে পারেন এঁরা স্থানীয় সাংসদের পছন্দের লোকজন। যাঁদের অনেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ও মামলা–মোকদ্দমা রয়েছে, যেটা সাংগঠনিক নিয়মে পড়ে না। বিষয়টি তিনি দলীয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তবে তাঁর পাঠানো তালিকার মধ্যে ৩, ৫, ৯ ও ১৫ নম্বর ইউপির প্রার্থীর নাম ঠিক রয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম দুলাল পাটোয়ারী বলেন, দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা থেকেও অনেক সময় কেন্দ্রে তালিকা পাঠানো হয়। সাংসদের পছন্দের তালিকাও থাকে। কেন্দ্র থেকে সবকিছু বিবেচনা করেই দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়। এখানে কী ঘটেছে তিনি বলতে পারবেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন