দ্বিতীয় দিন ৭ মার্চ সোমবার বেলা তিনটায় নারায়ণগঞ্জের শেখ রাসেল পার্কে শিশু সমাবেশ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। এতে উপস্থিত থাকবেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, শিল্পী জাহিদ মুস্তাফা ও অশোক কর্মকার।

তৃতীয় দিন ৮ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় শীতলক্ষ্যা নদীর পাঁচ নম্বর খেয়াঘাটে (যেখানে ত্বকীর লাশ পাওয়া গিয়েছিল তার কাছে) নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ত্বকীকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও ‘আলোর ভাসান’ অনুষ্ঠান। এতে অতিথি থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারোয়ার আলী ও লেখক-গবেষক মফিদুল হক।

১১ মার্চ শুক্রবার বেলা তিনটায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ হবে। এতে আলোচক হিসেবে মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ মার্চ শুক্রবার বেলা তিনটায় ঢাকার জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘সপ্তম জাতীয় ত্বকী চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা’র পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হবে। এতে উপস্থিত থাকবেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও নাসিক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ নারায়ণগঞ্জ শহরের শায়েস্তা খান রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দুই দিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী শাখা খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১২ নভেম্বর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। এরপর থেকে ত্বকী হত্যার বিচার শুরু ও চিহ্নিত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতি মাসের ৮ তারিখ মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট। একই সঙ্গে প্রতিবছর শিশু সমাবেশ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন