বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, থানচি উপজেলা সদর থেকে একদল পর্যটক সাঙ্গু নদের উজানে ১২ কিলোমিটার দূরে তিন্দুতে বেড়াতে যান। ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে উজানে যাওয়ার সময় তাঁরা উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশকে অবহিত করেননি। পর্যটক দলটি তিন্দু পৌঁছার পর ফজলে এলাহি ভংধ পাথরের এলাকায় সাঙ্গু নদে গোসল করতে নামেন। নামার সঙ্গে সঙ্গে তিনি প্রচণ্ড স্রোতের তোড়ে তলিয়ে যান। ভংধ পাথর এলাকার বিশাল বিশাল পাথরের ফাঁকে ফাঁকে নদী প্রবাহিত হওয়ায় বর্ষাকালে সেখানে সব সময় প্রবল স্রোত থাকে।

থানচি উপজেলা সদর থেকে একদল পর্যটক সাঙ্গু নদের উজানে ১২ কিলোমিটার দূরে তিন্দুতে বেড়াতে যান। তাঁরা উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশকে অবহিত করেননি।

থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুদীপ রায় জানান, থানচির পর্যটন ব্যবস্থাপনার নিয়ম হচ্ছে, কোনো পর্যটক উজানে তিন্দু, রেমাক্রি বা অন্য কোথাও গেলে উপজেলা সদরে পর্যটন সেবাকেন্দ্রে নিবন্ধন করে সঙ্গে একজন স্থানীয় ট্যুরিস্ট গাইড নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু নিখোঁজ ফজলে এলাহির দলটি সেবাকেন্দ্রে নিবন্ধন না করে ও ট্যুরিস্ট গাইড না নিয়ে চলে গেছে। এ জন্য উপজেলা প্রশাসন ও থানার কাছে তাঁদের ব্যাপারে কোনো তথ্য নেই। অন্য মাধ্যমে তারা নিখোঁজের বিষয়টি জানতে পেরেছে। পুলিশের একটি দল সেখানে নিখোঁজ ফজলে এলাহির সন্ধানে গেছে। নদীপথ ছাড়া সেখানে যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই।

থানচির উপজেলার সাঙ্গু নদে তিন্দু ইউনিয়নের তিন্দুমুখ, ভংধ এলাকাটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও নদের স্রোত অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে ভংধ (মারমা ভাষায় ভংধ অর্থ রাজাপাথর) ও আশপাশে বিশাল বিশাল পাথরের ফাঁক দিয়ে সাঙ্গু নদ প্রবাহিত হয়েছে। আগেও সেখানে কয়েকজন পর্যটকের সলিলসমাধি হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন