বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: আইভী অভিযোগ করেন, তৈমুর কারও ইন্ধনে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন, নির্বাচন করছেন—আপনি কী মনে করেন?

আবদুল হাই: আইভীর পক্ষে শামীম ওসমানকে মাঠে দেখা যায়নি, এটা সত্য। কিন্তু তিনি বিপক্ষে কাজ করছেন, সেই ধরনের প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তাই প্রমাণ পাওয়ার আগেই বলা যাবে না তিনি আইভীর বিপক্ষে কাজ করছেন।

প্রথম আলো: কেন্দ্রের নির্দেশের পরও শামীম ওসমানকে আইভীর পক্ষে মাঠে নামতে দেখা যায়নি...

আবদুল হাই: তিনি (শামীম ওসমান) মাঠে নামেননি, পরে হয়তো নামবেন। উনি তো নৌকা নিয়ে নির্বাচন করেই সাংসদ হয়েছেন। উনি তো দলের বাইরের কেউ নন।

প্রথম আলো: নির্বাচনের আগে দলীয় বিভক্তি নিরসনে কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন আপনারা?

আবদুল হাই: কেন্দ্র থেকে সিটি নির্বাচনের সার্বিক বিষয় মনিটরিং করা হচ্ছে। যখন যেখানে যা করার প্রয়োজন, নিশ্চয়ই কেন্দ্র সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রথম আলো: দলের বাইরে গিয়ে কেউ অবস্থান নিলে সে ক্ষেত্রে আপনাদের অবস্থান কী হবে?

আবদুল হাই: বিগত ইউপি নির্বাচনে দলের প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে কাজ করায় ৩০ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারোর বিরুদ্ধে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যক্তি ইমেজের চেয়ে দল বড়। তাই দলের বাইরে গিয়ে অবস্থান নিলে সে যত বড় নেতা হোন না কেন, তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতীতে এমন অনেক নজির আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন