বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খানপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম আসাদুজ্জামান খান বলেন, গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে দশানী নদী চলে গেছে। বন্যার পর থেকে নদীতে প্রবল স্রোত বইছে। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন চলছে। পাড় ভেঙে নদীতে আছড়ে পড়ছে। গত পাঁচ বছরে তাঁর বাড়ি চারবার নদীগর্ভে চলে যায়। এবার ভাঙনও তাঁর বাড়ির খুব কাছে। ফলে তিনি ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ বছর ধরে গ্রামে ভাঙন হচ্ছে। এখন পর্যন্ত গ্রামের চার ভাগের দুই ভাগ এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে যেভাবে ভাঙন চলছে, কোনো ব্যবস্থা না নিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অর্ধশত ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জামালপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, ওই গ্রামে তীব্র ভাঙন হচ্ছে। ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল। তবে সেটা পর্যাপ্ত নয়। ভাঙন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন