বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আলাপকালে লেবু মিয়া জানান, ২০১৩ সালে ভারতের দার্জিলিং থেকে দুটি সাদকি জাতের কমলার চারা সংগ্রহ করে রোপণ করেন। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে চারা তৈরির পর এখন পরিপূর্ণ ফল পেতে শুরু করেছেন ৬০টি গাছে।

এসব গাছ থেকে নার্সারিতে বর্তমানে প্রস্তুত করা হয়েছে ৩০ হাজার কমলার চারা। নার্সারিতে কমলার চারার পাশাপাশি আছে ৬০০ প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা। বর্তমানে নার্সারিতে প্রতিদিন ২৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন।

লেবু মিয়া আরও জানান, প্রতিবছর খরচ বাদে নার্সারি থেকে তাঁর আয় হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। বড় ছেলে এ আর হারুন এই নার্সারিতে কাজ করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি দেখাশোনার কাজ করেন মেজো ছেলে এ আর মামুন।

গত রোববার বাগানে গিয়ে দেখা যায়, থোকায় থোকায় ঝুলছে হলুদ ও সবুজ রঙের কমলা। চায়না কমলা, মাল্টা, ত্বিন ফল, পেঁপে, মিষ্টি লেবু, তেঁতুল, আমলকিসহ বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছও আছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতারা গাছের চারা সংগ্রহ করছেন।

বাগানের ব্যবস্থাপক লেবু মিয়ার মেজো ছেলে এ আর মামুন বলেন, বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসীদের মাধ্যমে তাঁরা ফলের চারা সংগ্রহ করেন। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা নিয়ে বাগানে এসব চারা রোপণ করেন। বাগানের সাদকি কমলা খুবই সুমিষ্ট। অনেকেই এখন এই কমলার চারা সংগ্রহ করছেন।

কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গোলাম মোস্তফা (৫৫) বলেন, একসময় লেবু মিয়ার আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। বাগান করে এখন তিনি সাবলম্বী। তাঁকে দেখে এলাকার অনেকে বাগান করতে আগ্রহী হচ্ছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, নীলফামারী জেলার মাটি লেবুজাতীয় ফল চাষের জন্য উপযোগী। এখানে আবহাওয়া ও মাটি অনুকূলে থাকায় প্রচুর মাল্টা ও কমলার চাষ হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন