বিজ্ঞাপন

পানখালী ঘাট থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার পশ্চিমের অন্য একটি খেয়াঘাট দিয়ে জরুরি প্রয়োজনে মোটরসাইকেল পার করছেন চালকেরা। সেই খেয়াঘাটের এক পাশে কাঠের পাটাতনের ওপর দিয়ে টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল নৌকায় তুলে দিচ্ছেন স্থানীয় লোকজন। এ জন্য মোটরসাইকেলপ্রতি গুনতে হচ্ছে ৬০ টাকা করে। অথচ ফেরি দিয়ে মোটরসাইকেল পার করতে লাগে পাঁচ টাকা করে। ভাটার সময় দুর্ভোগ ব্যাপক আকার ধারণ করে।

default-image

মোটরসাইকেল পারাপারে সহায়তাকারী দলের একজন মো. আলম বলেন, সারা দিনে খেয়াঘাট দিয়ে তিন শতাধিক মোটরসাইকেল পারাপার হয়। তাঁরা পার করেছেন এক শর বেশি মোটরসাইকেল। তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের সহায়তা দিচ্ছেন। প্রতিটি মোটরসাইকেল নৌকায় তুলে পার করে দেওয়ার জন্য ৬০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। ঘাটমালিককে দিতে হচ্ছে ১০ টাকা।

ফেরিঘাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি ব্রজেন রায় বলেন, ‘ওই নৌপথের পানখালী ঘাটের পন্টুন থেকে ঘাটে ওঠার পন্টুন নষ্ট হওয়ার পর রোববার থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল সোমবার থেকে পন্টুন মেরামতের কাছ চলছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন কর্মকর্তা বলেন, অনেক সময় রোগীদের অবস্থা বুঝে উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে জেলা শহর খুলনায় পাঠাতে হয়। সেতুর অভাবে ফেরিঘাটে নানা বিড়ম্বনা থাকে। তারপরও দুই দিন ধরে ফেরি বিকল থাকার কারণে অ্যাম্বুলেন্স সরাসরি খুলনা পর্যন্ত যেতে পারেনি। ফেরিঘাট পর্যন্ত যাচ্ছে। এরপর রোগীর স্বজনেরা রোগী নিয়ে নৌকায় পার করে বিভিন্ন উপায়ে খুলনায় গিয়েছেন।

দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিন্টু বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, বরনপাড়া-পানখালী নৌপথে পানখালী ঘাটের একটি পন্টুন সংস্কার দরকার ছিল। আর ঘূর্ণিঝড় ইয়াসকে কেন্দ্র করেই মূলত পন্টুনটা পরিবর্তন করা হচ্ছে। তা না হলে পুরোনো যেটা ছিল, তা ডুবে যেত। সংস্কারজনিত কারণে জনসাধারণের সাময়িক ভোগান্তি হয়েছে।

, আজ মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ঘাট ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাজ শেষ করতে দেরি হয়ে গেছে। রাত আটটার দিকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
আবু নাইম, উপসহকারী প্রকৌশলী, সওজ, খুলনা কার্যালয়

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী আবু নাইম প্রথম আলোকে বলেন, আজ মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ঘাট ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তবে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাজ শেষ করতে দেরি হয়ে গেছে। রাত আটটার দিকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন