বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ জুলাই রাত আটটার দিকে চেংঠীহাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নের নতুনহাট বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র রায়ের কার্যালয়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলাম বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় সাহিদুল ইসলাম স্থানীয় ডাডুয়া হাটে শেডঘর নির্মাণ প্রকল্পের সচিব হিসেবে চেয়াম্যানের কাছে প্রকল্পটির বিষয়ে তথ্য জানতে চান। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সহিদুলকে মারধর করেন চেয়ারম্যান। চেয়াম্যানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে মানিক চন্দ্র রায় (৩৫) ও তাঁর সহযোগী কানাই চন্দ্র সেন (৩৮)।
পরে স্থানীয় লোকজন সহিদুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সুস্থ হয়ে ওই বছরের ১৮ আগস্ট চেয়ারম্যানসহ ওই তিনজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি মামলা করেন সহিদুল। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

পরে ওই বছরের ২২ ডিসেম্বর ইউপি চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র রায়সহ অপর দুজন আসামি পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিউর রহমানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন। পরবর্তী সময়ে তাঁরা জেলা জজ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন।

আসামিরা জামিনে থাকা অবস্থায় মামলার বিচারকাজ চলছিল। এর মধ্যে পিবিআই তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। সেই সঙ্গে মামলার ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৪ নভেম্বর রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রায় ঘোষণার আগে বৃহস্পতিবার মামলার যুক্তি-তর্ক শুনানি শেষে প্রধান আসামি অনিল চন্দ্র রায়ের জামিন বাতিল করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়া অন্য দুই আসামির জামিন বহাল রাখেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন