বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঝাউডাঙ্গা এলাকার ঘোষপাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী সুবির ঘোষ জানান, এক বছরের বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের ঝাউডাঙ্গা বাজারের দেড় কিলোমিটার সড়ক বেহাল। ছোট–বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে এক হাজারের বেশি বাস, ট্রাক, মিনিবাস, পিকআপ, মাহিন্দ্র, ইজিবাইক, ইঞ্জিনচালিত ভ্যান, ট্রলি ও মোটরসাইকেল চলাচল করে। সড়ক নষ্টের কারণে প্রায় যানজট লেগে থাকে। এই দেড় কিলোমিটার সড়ক পার হতে কখনো কখনো এক ঘণ্টা সময় লাগে। এরপর সকাল–বিকেল ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে।

প্রায়ই এই রাস্তা পার হতে গাড়ি বিকল হয়ে যায়। গাড়ির যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাড়ির মালিককে কৈফিয়ত দেওয়া যায় না।
রেজাউল ইসলাম, যাত্রীবাহী বাসচালক

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, গত মঙ্গলবার বেলা ১১টায় মাধবকাটি এলাকার ইসমাইল হোসেন ভ্যান উল্টে মারাত্মক আহত হয়েছেন। তাঁর হাত ভেঙে যাওয়া ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট গর্তের স্থানে ইট দিয়ে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু পরের দিন বৃষ্টি হয়ে আরও খারাপ অবস্থা হয়েছে।

যাত্রীবাহী বাসচালক আলী হোসেন জানান, সড়কের এতটুকু জায়গা পার হতে সময় লাগার কথা পাঁচ মিনিট, সেখানে লাগছে আধা ঘণ্টা। আর যানজট হলে এক ঘণ্টাতেও এ সড়ক পার হওয়া যায় না। রাতে চলাচল করা আরও দুরূহ হয়ে পড়ে।

আরেক যাত্রীবাহী বাসচালক রেজাউল ইসলাম বলেন, প্রায়ই এই রাস্তা পার হতে গাড়ি বিকল হয়ে যায়। গাড়ির যন্ত্রা ংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাড়ির মালিককে কৈফিয়ত দেওয়া যায় না।

প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যশোর যান আবু হোসেন। তিনি বলেন, জীবন হাতে নিয়ে চলতে হয় সড়কটুকু। পাঁচ মিনিটের পথ পার হতে সময় লাগে আধা ঘণ্টা। আর হাটের দিন হলে এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে।

সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ওই স্থানে একাধিকবার প্রাথমিকভাবে সংস্কার করা হয়েছে। সর্বশেষে গত বৃহস্পতিবার ওই সড়কে খোয়া দিয়ে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টি হলেই সড়ক আবার নষ্ট হয়ে যায়। ইতিমধ্যে সড়কের ওই স্থান নতুনভাবে করার জন্য প্রকল্প তৈরি করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন