বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নাসরিনের বাবা প্রয়াত গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ও নানা মনির উদ্দিন চৌধুরী সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১০ সালে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

নাসরিন সুলতানা বলেন, ‘এলাকার সব শ্রেণি–পেশার মানুষের ভোটে আমি নির্বাচিত হয়েছি। আমি খুবই আনন্দিত। আমাকে বিজয়ী করায় আমি তাঁদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা, পিছিয়ে পড়া শিক্ষাব্যবস্থাসহ সামগ্রিক উন্নয়নে আমি কাজ করব। এটি হাওরবেষ্ঠিত উপজেলা। এখানকার নারীরা নানা দিক থেকে এখনো পিছিয়ে আছেন। তাঁদের জন্য কাজ করব।’

নির্বাচনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আল মাহমুদ হাসান বলেন, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৯৮৯। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাসরিন সুলতানা ৩ হাজার ৯১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৬৪৫ ভোট। নাসরিনকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন