পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের একটি দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণিপড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীকে কামরুল (২৬) বেশ কিছুদিন ধরে উত্ত্যক্ত করার পাশাপাশি কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় কামরুল তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। শনিবার বিকেলে ঘরে একা পেয়ে কামরুল, হাবিব আকনসহ চার–পাঁচজন মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।

পাশাপাশি ধর্ষণের দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা দুমকি থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ রাতেই ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন