বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে গোলাম কিবরিয়া টিপু প্রথম আলোকে বলেন, ভোর চারটায় লঞ্চটির সদরঘাটে পৌঁছানোর কথা ছিল। যাত্রাপথে ভোলার একটি ডুবোচরে আটকে গিয়ে লঞ্চের একটি ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। নষ্ট ইঞ্জিন ও ঘন কুয়াশার কারণে লঞ্চটি নির্ধারিত সময় থেকে অন্তত ৫ ঘণ্টা পিছিয়ে ছিল। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে লঞ্চটি ধর্মগঞ্জ ঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ যাত্রীবাহী একটি ট্রলার লঞ্চের সামনের অংশে এসে ধাক্কা খায়। তখন লঞ্চটির লোকজন সেখানে থেমে গিয়ে বয়া ফেলে যাত্রীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেন।

এদিকে ঘটনাস্থলে আসা স্বজনদের কাছ থেকে অন্তত নয়জন নিখোঁজের তালিকা পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে এক বছরের শিশুসহ এক পরিবারের চারজন আছেন।

আজ বিকেল পাঁচটার দিকে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন প্রথম আলোকে বলেন, নিখোঁজ ট্রলারটি শনাক্ত করা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস, নৌ বাহিনী, কোস্ট গার্ড ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন