বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ২ জন করে মোট ২০ জন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চৌকিবাড়ি ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফোরহাদ হোসেনের স্ত্রী জুলেখাও ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে চাল নিয়ে জুলেখার স্বামী ফোরহাদ হোসেন দিঘলকান্দি বাজারের গুদামে রাখেন। গতকাল সকাল থেকে সেখানে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হয়।

এ সময় কয়েক ব্যক্তি তাঁদের নামে বরাদ্দ করা চাল কিনে আবার স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন। এরপর ব্যবসায়ীরা ওই চাল নিয়ে দিঘলকান্দি বাজার থেকে ধুনট শহরের দিকে রওনা হন। খবর পেয়ে ধুনট থানা–পুলিশ অভিযান চালিয়ে পথরোধ করে একটি ভটভটি থেকে ১২০ বস্তা চাল জব্দ করে। এ সময় সরকারি চাল কেনাবেচা ও পাচারের অভিযোগে মুনজু মণ্ডল ও আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

default-image

ফোরহাদ হোসেন দাবি করেন, ‘গতকাল সারা দিন আমার গুদাম থেকে সুবিধাভোগীদের কাছে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হয়েছে। এর মধ্যে কেউ যদি ওই চাল না খেয়ে বিক্রি করে দেন, তাহলে তার জন্য ডিলারকে দায়ী করা যায় না। সম্মানহানি করতে ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।’

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কালোবাজারে বিক্রির সময় ৩০ কেজি ওজনের ১২০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় গত সোমবার রাতে হওয়া মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন