বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেলা ১১টায় নওয়াপাড়া মহিলা কলেজ ভোটকেন্দ্রে পুরুষ বুথে দেখা যায়, চারদিকে পানি থই থই। পানি ভেঙে ভোটাররা উঠছেন কলেজের বারান্দায়। অনেকে আবার ভ্যানে চড়ে কেন্দ্রের বারান্দায় উঠছেন। সেখানে ২০-২৫ জনের একটা লাইন। লাইনে দাঁড়ানোর পর বুথে ঢুকে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা।

ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছিলেন দিনমজুর কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতিতে প্রথম ভোট হচ্ছে। এ জন্য ভোট দিতে আমার আগ্রহ ছিল। কিন্তু কেন্দ্রে এসে দেখি, এক হাত পানি। পানি ভেঙে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছি।’

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, বৃষ্টিতে কেন্দ্রে পানি জমে যায়। ভোটাররা পানি ভেঙে কেন্দ্রে এসে ভোট দেন। কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৪১৭ জন। বেলা দুইটা পর্যন্ত ৭৬৩ জন ভোটার ভোট দেন।

বেলা দুইটায় নওয়াপাড়া শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মহিলা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্র প্রায় ফাঁকা। ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছিলেন আসমা বেগম। এ সময় তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রে ভিড় নেই। লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। এসেই ভোট দিতে পেরেছি।’

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা গোলাম ছামদানী বলেন, বেলা দুইটা পর্যন্ত কেন্দ্রটিতে ২ হাজার ২৬১ জন ভোটারের মধ্যে ৮০৬ জন ভোট দেন। দুপুরের পর ভোটারের উপস্থিতি বেড়ে যায়।

অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান বলেন, বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। এতে ভোটারদের কিছুটা সমস্যা হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১২ জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব সার্বক্ষণিক কাজ করেছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৫ জন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নওয়াপাড়া পৌরসভায় মোট ভোটার ৬৩ হাজার ৩২৭ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩১ হাজার ১৪১ জন। নারী ভোটার ৩২ হাজার ১৮৬ জন। ৯টি ওয়ার্ডের ৩০টি কেন্দ্রে ১৮৪টি বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন