বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবারের ইউপি নির্বাচনে ১৪ জন প্রবাসী প্রার্থীসহ মোট ৫৮ জন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কুর্শি ইউপির প্রবাসী প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলী আহমদ, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু তালিম ও মো. আবদুল মুকিত, স্বতন্ত্র প্রার্থী শামছুল হুদা চৌধুরী, শেখ মোহাম্মদ আবদুল গফুর ও সৈয়দ খালেদুর রহমান।

আলী আহমদ বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র জমার দুই দিন আগে দেশে এসে নৌকার মনোনয়ন পান। এরপর মনোনয়ন জমা দিয়ে তিনি আবার যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখান থেকে নির্বাচনের সপ্তাহখানেক আগে দেশে ফিরেছেন তিনি।

সৈয়দ খালেদুর রহমান এ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি জানান, তাঁর দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলেও এলাকার সঙ্গে তিনি সব সময়ই সম্পৃক্ত। দেশে তাঁর ব্যবসা-বাণিজ্যও আছে। তাই তাঁকে প্রবাসী বলে দূরে রাখা যাবে না।

এদিকে ইনাতগঞ্জ ইউপির প্রবাসী প্রার্থীরা হলেন নৌকার প্রার্থী মো. আছাবুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী ছায়েদ উদ্দিন ও মো. মোস্তফা কামাল।

প্রার্থী মো. আছাবুর রহমান বলেন, ‘আমি যুক্তরাজ্যের নাগরিক হলেও এ দেশের মানুষের পাশেই বেশি থাকি। যে কারণে এর আগে ভোটাররা আমাকে ইউপি সদস্য নির্বাচিত করেছিলেন। আমি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও ছিলাম। এ কারণে এবার নৌকা প্রতীক পেয়েছি।’

এদিকে অন্য পাঁচ প্রবাসী প্রার্থীরা হলেন দিঘলবাক ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল গফফার, দেবপাড়া ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী কুহিনুর মিয়া, নবীগঞ্জ সদর ইউপিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুফতি মিয়া, বাউশা ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জুনেদ হোসেন চৌধুরী ও বড় ভাকৈর পূর্ব ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী দিদার আহমদ।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল গফফার শাহীন জানান, ‘যুক্তরাজ্যে বসবাস করলেও আমাদের প্রাণটা পড়ে থাকে দেশে। যে কারণে সব সময় দেশের মানুষের দুঃসময়ে দেশে ছুটে আসি। নির্বাচিত হলে দেশের মানুষের পাশেই থাকব।’

এলাকার সাধারণ ভোটাররা জানান, নবীগঞ্জ উপজেলা হচ্ছে প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা। প্রবাসী আয়ের ওপরই এখানকার মানুষ নির্ভরশীল। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে সব সময়ই প্রবাসীরা অংশ নিয়ে থাকেন।

নবীগঞ্জ সদর ইউপির ভোটার কাইয়ুম চৌধুরী ও বাচ্চু মিয়া জানান, এ উপজেলায় প্রতিটা স্থানীয় নির্বাচনে কোনো না কোনো প্রবাসী অংশ নেন। প্রবাসীরা অপেক্ষায় থাকেন কবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে, উৎসবের আমেজে তাঁরা দেশে আসবেন, নির্বাচন করবেন—এটা এখানকার নির্বাচনী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন