বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিটন মিয়া বলেন, বুধবার রাতে প্রসবব্যথা উঠলে লাভলিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখাতে রাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার মেয়েসন্তানের জন্ম হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমার আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ। তিন সন্তানের প্রতিদিন লালনপালন করা আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।’

লাভলি খাতুন বলেন, ‘আমি অনেক খুশি। তবে সন্তানদের লালনপালন নিয়ে চিন্তায় আছি।’

আমিনা হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী আনসারু হক জানান, চারটি নবজাতকের একটির মায়ের পেটেই মৃত্যু হয়েছিল। মৃত নবজাতকের মাথা ও দুই হাত ছিল না। তিন নবজাতক ও মা সুস্থ আছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারিয়াম খাতুন বলেন, ‘আমি খবর পেয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সহযোগিতা করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন