বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কর্মকর্তা (ইএমও) আবদুল কাদির জানান, সানজিদার পুরো মুখ ঝলসে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সানজিদার চাচাতো ভাই মেহেদি বাবু জানান, অ্যাসিড নিক্ষেপকারীদের সানজিদা চিনতে পেরেছেন। তারা বখাটে তরুণ।

এদিকে ঘটনার পরপরই অ্যাসিড নিক্ষেপকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে। গতকাল গভীর রাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর রহমান জানান, তরুণীর চিকিৎসার জন্য পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকায় কেউ এখনো মামলা করেননি। তবে পুলিশ ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু করেছে। একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, অ্যাসিড নিক্ষেপকারীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চারটির বেশি দল কাজ করছে। শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে, তারা কেউ ছাড় পাবে না। পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন