বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে ১৭টি ঘর পুড়ে যায়। ওই সময় সব ঘরের লোকজন বের হতে পারলেও ঘুমিয়ে থাকায় বের হতে পারেনি শিশু সায়মা।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবুল কাশেম বলেন, আগুনে ১৭টি ঘর পুড়ে গেছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগে বলে তিনি জানান।

শিশু সায়মার বাবা আমান উল্লাহ বলেন, ‘গতকাল সকালে নানাবাড়ি বেড়াতে আসে আমার মেয়ে। আগুন লাগার সময় সে ঘুমিয়ে থাকায় বের হতে পারেনি। মেয়েটা আমার পুড়ে মরল।’

বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার লিটন বৈষ্ণব বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে রাতেই আমরা সেখানে যাই এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। তবে আগুনে এক শিশু মারা যায়।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন