আজ সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এমন অন্তত ৪০ জনকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পেয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে। এ সময় তাঁদের অনেকেই ক্ষোভ ঝেড়েছেন। তবে প্রথম ডোজ টিকা নিতে আসা লোকজন কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই টিকা নিতে পেরেছেন। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মাঝারি আকারের লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা নিতে হলেও ১২টার পর এই কেন্দ্রে টিকা গ্রহীতাদের কোনো লাইন চোখে পড়েনি।

জানতে চাইলে বন্যা ও ঝর্ণা প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের অক্টোবরের শুরুতে তাঁরা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন। তারপর বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কেন্দ্রে অন্তত তিনবার গিয়েও টিকা দিতে পারেননি। সবশেষ তিন দিন আগে টিকা নিতে গেলে হাসপাতাল থেকে তাঁদের আজ আসতে বলা হয়েছিল। ঝর্ণা বলেন, ‘তিন দিন আগে আসার পর বলেছে শনিবার আসতে। আজকে আসার পর এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিলাম। এখন বলছে, সোমবার আসতে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বাসায় রেখে বারবার এত দূর আসা যায় না।’

সুবেদ আলী বলেন, দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে না সেটা মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। অসুস্থ শরীর নিয়ে টাকা খরচ করে এত দূর এসে টিকা না পেলে কষ্ট লাগে।

এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আলাউল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের ১৫টি দল প্রথম ডোজের লক্ষ্য পূরণে কাজ করছে। সব লোকবল সেখানে ব্যস্ত। কাল থেকে দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজ চলবে।’ আজ দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে না—এমন কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আমাদের ব্যস্ততা কম থাকলে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ারও পরিকল্পনা ছিল।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন