বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শাহজাদপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২০ হাজার ৭৮০। তাঁদের মধ্যে নারী ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৫ হাজার ৪৩৭ জন এবং পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৩৪৩ জন। নির্বাচনে ১৬০টি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৪৫৮ জন।

এই উপনির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মেরিনা জাহানের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছিলেন আরও দুজন। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির মোক্তার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরগাড়ি প্রতীকের হুমায়ুন কবির। হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৩৪৩ ভোট।

নৌকা ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্টদের দেখা মেলেনি

উপনির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নতুন একটি পদ্ধতি হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে আলাদা আমেজ তৈরি হলেও ভোটকেন্দ্রগুলোতে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি কমতে থাকে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে এই আসনের নরিনা, বারাবিল, পোতাজিয়া, শাহজাদপুর মহিলা কলেজ, প্রগতি বালিকা বিদ্যালয়, জামিরতা, চর কৌজুরি উচ্চবিদ্যালয়সহ ১৩টি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোট গ্রহণ শুরুর সময় নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অনেকটা বেশি। সে তুলনায় পুরুষ ভোটারের উপস্থিতি ছিল অনেকটাই কম। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ভেটারদের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। এই কেন্দ্রগুলোতে নৌকা প্রতীকের এজেন্ট ছাড়া অন্য দুটি প্রতীক লাঙ্গল ও মোটরগাড়ির কোনো এজেন্টের দেখা পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন বিষয়ে কথা বলতে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মোক্তার হোসেন ও মোটরগাড়ি প্রতীকের হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এ আসনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করায় অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন ঘিরে দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম জানান, সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ১৬০টি ভোটকেন্দ্রেই ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করায় কোনো সস্যার সৃষ্টি হয়নি।

গত ২ সেপ্টেম্বর সাংসদ হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন