বিজ্ঞাপন

পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মিম গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির বাইরে খেলতে যায়। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় গত শুক্রবার বুড়িচং থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। শনিবার সকালে গ্রামের কোনো এক আড্ডায় ভারেল্লা মাদ্রাসার খণ্ডকালীন দপ্তরি কাইয়ুম লাশ মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে আছে বলে জানান। এরপর এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। একই সঙ্গে কাইয়ুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।

শনিবার সকালে গ্রামের কোনো এক আড্ডায় ভারেল্লা মাদ্রাসার খণ্ডকালীন দপ্তরি কাইয়ুম লাশ মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে আছে বলে জানান।

ভারেল্লা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ বলেন, কাইয়ুমের বাবা আবদুল মবিন এই মাদ্রাসায় ৪০ বছর দপ্তরির কাজ করেছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি চাকরি থেকে অবসরে যান। এরপর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কাইয়ুমকে দপ্তরি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত খণ্ডকালীন হিসেবে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা বেতনে চাকরি দেয়।

মিমের বাবা শরীফুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি পথেঘাটে অটোরিকশা নিয়ে থাকি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ শুনলাম মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে তার লাশ মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আমার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। কেন আমার মেয়েকে হত্যা করা হলো? আমি এর বিচার চাই।’

বুড়িচং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন