বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, নিহত শামীম হোসেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনে কাজ করেছেন। ফলে কয়েক দিন ধরেই স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল আলমসহ তাঁর সমর্থকেরা নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য শামীমকে দায়ী করছিলেন। সন্ধ্যায় শামীম গ্রামের মোড়ে একটি দোকানে গেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল আলমের সমর্থকেরা তাঁকে পরাজয়ের জন্য দায়ী করে বিভিন্ন কথা বলতে থাকেন।

এ সময় প্রতিবাদ করলে স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল আলম ও তাঁর ছেলে ইমরান হোসেন লোকজন নিয়ে এসে শামীমের ওপর হামলা চালান। তাঁরা এ সময় বেশ কয়েকটি গুলিও ছোড়েন। এতে শামীম গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল আলম নিজেই তাঁর লাইসেন্স করা বন্দুক দিয়ে গুলি চালিয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। ঘটনার পর থেকেই তারিকুল গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁকে ধরতেও অভিযান চালানো হচ্ছে। নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন