বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শফিকুল কাদের ওই ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর ভাষ্য, গতকাল রাত আটটার দিকে ইউনিয়নের মির্জাপুর এলাকায় নৌকার প্রার্থী আজাহারুল ইসলামের লোকজন আকস্মিকভাবে তাঁর কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে আলমগীর কবির নামে তাঁর এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কর্মী আহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে শফিকুল কাদেরের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালান। এতে নৌকার প্রার্থীর ৮ থেকে ৯ জন কর্মী আহত হন। পরে আহত ব্যক্তিদের নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল কাদের বলেন, নৌকার প্রার্থী আজাহারুল ইসলামের লোকজন প্রথমে তাঁর কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। এতে এলাকায় কিছুটা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ সত্য নয়।

এদিকে আজাহারুল ইসলামের অভিযোগ, তাঁর কর্মী-সমর্থকদের ওপর শফিকুল কাদেরের লোকজন হামলা করেছে। এ ঘটনায় তাঁর ৯ জন কর্মী আহত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর কোনো কর্মী-সমর্থক শফিকুল কাদেরের লোকজনের ওপর কোনো হামলা চালাননি।

default-image

রৌহা ইউপিতে আ.লীগের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রৌহা ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

আবদুর রশিদের ভাষ্য, গতকাল মধ্যরাতে বড়গাড়া নতুনবাজার এলাকায় তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলামের লোকজন তাঁর কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় তাঁর কার্যালয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রীর ছবিসহ চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, নতুনবাজার এলাকার ওই নির্বাচনী কার্যালয় স্বতন্ত্র প্রার্থীর বাড়ির কাছাকাছি এলাকায়। গতকাল রাতে শফিকুলের সমর্থকেরাই আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। এ ছাড়া শফিকুল নৌকার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে না যেতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে শফিকুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে, সেটি তিনি জানেন না।

উল্লেখ্য, শফিকুল ইসলাম রৌহা ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, লক্ষ্মীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে। অন্যদিকে রৌহায় আগুন ও ভাঙচুরের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন