মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার নাগড়া এলাকার বাসিন্দা বীরবল চৌহানের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ঝুমার (৩৮) পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই জেরে ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর দুপুরে নাগড়া শিববাড়ি সড়কে জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ফুচকার ভ্যানে রাখা পেঁয়াজ কাটার ছুরি দিয়ে ঝুমার শরীরে উপর্যুপরি আঘাত করেন। বীরবলের ছুরির আঘাতে ঝুমা ঘটনাস্থলেই মারা যান। তখন স্থানীয় বাসিন্দারা বীরবলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

ঘটনার পরের দিন ৩০ নভেম্বর ঝুমার মা হেনা রানী বাদী হয়ে বীরবলকে আসামি করে নেত্রকোনা মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে বীরবলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন সরকারি কৌঁসুলি ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ ও কমলেশ চৌধুরী। আসামিপক্ষে ছিলেন দিলুয়ারা বেগম।

ইফতেখার উদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। রায়ে বাদীপক্ষের লোকজন খুবই খুশি হয়েছেন। মামলার বাদী হেনা রানী এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন