default-image

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় নিজের গ্রামেই এক কিশোরী (১৪) দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বজরা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে রাতে সোনাইমুড়ী থানায় তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। তবে মামলার আসামিদের কাউকে পুলিশ এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এদিকে ওই কিশোরী আজ শুক্রবার নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই কিশোরী গ্রামের একটি দোকানে মুঠোফোন রিচার্জের কার্ড কিনতে যায়। ফেরার পথে একই এলাকার বাকের মিয়ার বখাটে ছেলে আবদুর রব (২৩) পথরোধ করে তাকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখে। এ সময় একই এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. রিফাত (২৬) সেখানে আসেন। দুজন মিলে কিশোরীর মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে স্থানীয় একটি স্কুলের পার্শ্ববর্তী ধানখেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় সালা উদ্দিন (২৫) নামের আরেকজন পাশে দাঁড়িয়ে পাহারা দেন।

পরে কিশোরী বাড়ি ফিরে মাকে ঘটনাটি অবহিত করলে তাঁরা রাত আটটার দিকে কিশোরীকে নিয়ে সোনাইমুড়ী থানায় যান। এরপর এ বিষয়ে কিশোরীর মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ করেন, যা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২০–এ নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণকারী একজনের বেশি হওয়ায় ঘটনাটি গণধর্ষণের। সে অনুযায়ী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

ওসি জানান, ওই কিশোরী আজ শুক্রবার নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ঘটনার বিষয়ে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। আগামীকাল শনিবার নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন