প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন মদিনা ভবনের নিচে আসেন। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা রিফাতুল ইসলাম সোনামণি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাসেলের অনুসারীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এ সময় রিফাতুলের বাঁ পায়ে গুলি করে। পরে আশপাশের লোকজন গুলিবিদ্ধ রিফাতুলকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল উদ্দিন বলেন, অভিযুক্ত রাসেলকে কিছুদিন আগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পশুর হাটের হাসিলের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রাসেল ও তাঁর সহযোগীরা রিফাতুলকে গুলি করে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাসেল মাহমুদ। তিনি বলেন, পশুর হাটের ইজারার দরপত্র জমা দেন ছয়জন। পরে তাঁদের মধ্যে সমন্বয় করে দেওয়ার কথা থাকলেও টাকার ভাগ নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। যা জ্যেষ্ঠ নেতারা মীমাংসা করেছেন। গুলির ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। একটি পক্ষ তাঁকে ফাঁসাতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রিফাতুলের পায়ের পাতায় আঘাতের চিহ্ন আছে। গুলির আঘাত কি না, তা ডাক্তারি রিপোর্ট হাতে পেলে বলা যাবে। ঘটনা নিয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন