বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সালাহ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার দুপুরে অলি কোম্পানির তিন বছরের দুই শিশুকে দীর্ঘ সময় না দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। তাৎক্ষণিক তাঁরা বিভিন্ন দিকে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে বেলা তিনটার দিকে বাড়ির পুকুরে দুই শিশুর লাশ ভেসে ওঠে। পরে তাঁরা শিশু দুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে জিরুয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার বিকেলে গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির প্রবাসী মহিন উদ্দিনের মেয়ে মাইশা আক্তার বাড়ির পুকুরের পাড়ে খেলতে যায়। এরপর বেশ কিছুক্ষণ তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা বাড়ির পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে অচেতন অবস্থায় মাইশাকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানতে চাইলে পানিতে ডুবে যমজ শিশুসহ তিন শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বিন্নাগনি গ্রামের দুই শিশু বাড়ির পুকুরের পানিতে পড়ে ডুবে যায়। পরে শিশু দুটির লাশ ভেসে ওঠে। এ ছাড়া জিরুয়া গ্রামেও এক শিশু পুকুরের পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনা দুটির বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন