প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে বাজারের ব্যবসায়ীরা ইফতার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ চৌমুহনী রেলগেটসংলগ্ন মার্কেটের একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকান ও মার্কেটে ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্টেশন মার্কেট ও ইসলাম মার্কেটের জুতার দোকান, ফার্মেসি দোকান, কাপড়ের দোকান, হার্ডওয়্যার সামগ্রীর দোকান, বই দোকান, প্লাস্টিক পণ্যের দোকান ও গ্যাস সিলিন্ডার দোকানসহ বিভিন্ন দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী জয়নাল আবদিন বলেন, আগুনে ইসলাম মার্কেট, হক মার্কেট ও স্টেশন মার্কেটের অসংখ্য দোকান পুড়ে গেছে। ঈদ উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার পণ্য তুলেছেন দোকানে বিক্রির জন্য। সেসব পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। উৎসুক জনতার ভিড়ের কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের কাজে বিঘ্ন ঘটায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন দোকানে ছড়িয়ে পড়ছে আগুন। এই ব্যবসায়ীর দাবি, আগুনে শতকোটি টাকার বেশি ক্ষতি হতে পারে।

স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান নোয়াখালী-৩ আসনের সাংসদ মামুনুর রশিদ, জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মালামাল নিরাপদে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দন মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, চৌমুহনীর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের মাইজদী, চাটখিল, সোনাইমুড়ী, কোম্পানীগঞ্জ, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো চৌমুহনী বাজারের ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত জানা যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন