বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার প্রতিটি কেন্দ্রকে সমান গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তার পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় এই পৌরসভা নির্বাচনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। এখানে কেউ জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ভোটকেন্দ্রে আসতে পারবেন না। কেউ কারোর ভোট দিতে পারবেন না। আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে ছবি মেলানো হবে।

ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রে কেউ যেন অযথা ঢুকতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনসারসহ ১৩ জন নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রের ফটকে একটি করে স্ট্রাইকিং টিম দায়িত্ব পালন করবে। কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র আছে কি না, তাঁরা সেটা যাচাই করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রকে সুরক্ষিত রাখার জন্য একটি মোবাইল টিম কেন্দ্রের চারপাশে টহল দিবে। কেউ যেন অযথা ঘোরাঘুরি, জমায়েত কিংবা জড়ো হয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেটি দেখা হবে।

এ ছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে এপিবিএনের সমন্বয়ে গঠিত একটি করে বিশেষ স্ট্রাইকিং টিম একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিশেষ এই দল সার্বক্ষণিক প্রতি কেন্দ্রের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। এ ছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি করে দল দায়িত্ব পালন করবে।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান মেয়র মো. সহিদ উল্যাহ খান। মেয়র পদে অন্য প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী লুৎফুল হায়দার, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির নেতা মো. সহিদুল ইসলাম ও আবু নাছের, জাতীয় পাটির মো. সামছুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শহীদুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র কাজী আনোয়ার হোসেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন