স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে যাত্রীবাহী একটি নৌকা জৈন্তাপুরের নয়াগাং নদ পার হতে গিয়ে প্রবল স্রোতে ডুবে যায়। এ সময় ওই নৌকার চার যাত্রীকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করতে পারলেও আলমগীর মিয়া নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে টানা বৃষ্টির মধ্যে সিলেট ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। গতকাল সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত আলমগীরের সন্ধান না পাওয়ায় অভিযান স্থগিত করা হয়।

আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে স্থানীয় লোকজন নয়াগাং নদরে মুক্তাপুর গ্রামসংলগ্ন এলাকায় লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম দস্তগীর আহমেদ বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের কোনো অভিযোগ ও সন্দেহ নেই। পরে তাঁদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-বাশিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মারা যাওয়া ব্যক্তির পরিবারকে ব্যক্তিগত ও স্থানীয়ভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

ইউএনও আল-বাশিরুল বলেন, টানা বৃষ্টিতে জৈন্তাপুরের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা এবং বন্যা দেখা দিয়েছে। তাঁরা সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। সে সঙ্গে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন